মুকুলকে কেউ দলের হিসেবে চিনবেন না- বক্তব্য ছিল প্রয়াত নাছিম ওসমানের।


staf reporter 2 প্রকাশের সময় : সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬, ৮:০১ অপরাহ্ন /
মুকুলকে কেউ দলের হিসেবে চিনবেন না- বক্তব্য ছিল প্রয়াত নাছিম ওসমানের।

মুকুলকে কেউ দলের হিসেবে চিনবেন না- বক্তব্য ছিল প্রয়াত নাছিম ওসমানের।

 

 

নিজস্ব সংবাদদাতা// মুকুল ওসমান পরিবারের দোসর না শুধু প্রকাশ্য ছিল। জোড় করে লাঙ্গল প্রতীকের জন্য কাজ করেছে।

বিএনপির আদর্শের কর্মীদের বাধ্য করেছেন ওসমান পরিবারের জন্য কাজ করার জন্য। কেউ না চাইলে তাকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করতেন উল্লেখ্য করে বিএনপির রাজপথের ত্যাগী নেতা নুর মোহাম্মদ পনেছ জানান।

২০০৯ সালে মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর বন্দরে স্থানীয় সাংসদের বন্দরে প্রথম সভায় কুশিয়ারা হাজী আব্দুল মালেক উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে নাসিম ওসমান বলেন, মুকুল কোন দলের তা এত চিন্তা করার দরকার নাই। আতাউর রহমান মুকুল আমার ভাই। আমি ইন্ডিয়া / ওপার থেকে যখনই ফোন দিতাম৷ আমার ফোনের ভাষা এই মঞ্চে বসা মুকুল তা বুঝতে পারতো। আতাউর রহমান মুকুল কোন দলের রাজনীতি করে সেটা আমার দেখার বিষয় না। আশা করবো আপনারাও মুকুলকে আমার ভাই হিসাবে চিনবেন, দলের মনে করলে ভুল করবেন।

তৎসময়ে নাসিম ওসমান এমপির এমন বক্তব্যের পর আতাউর রহমান মুকুলকে অনেকটা ভিন্ন দৃষ্টিতে দেখতেন।

 

ক্ষমতাসীন দল বিএনপির রাজনীতিতে ইতিবাচক মোড় নিচ্ছে। বিএনপির চাচা মুকুল ও ভাতিজা আশা ফের আলোচনায়। মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আতাউর রহমান মুকুল এক অনুষ্ঠানে বক্তব্যে যা বলেন তা সম্পন্ন সাংসদ এড আবুল কালাম বিরোধী। আজকের আতাউর রহমান মুকুল যাকে চিনে বন্দরবাসী। সাংসদ আবুল কালামের চাচাতো ভাই পরিচয়ে মুকুল হয়েছেন বন্দরবাসীর কাছে বিএনপির অপর নাম। যার ফলসূতিতে মুকুল যেন আতাউর রহমান মুকুল বনে যান। সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে মুকুল বলেন, আমি এতদিন কালো হাতের নিচে ছিলাম। কালো হাতের নামটি উন্মোচন করার আহবান জানান মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ও এমপি রাজনৈতিক সচিব আবুল কাউসার আশা।

তবে মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ও বন্দর উপজেলা পরিষদের ২ বারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান আতাউর রহমান মুকুল খোদ জিয়া পরিবারের টার্গেটের ওসমান পরিবারের গোপন সক্ষতার ফসল হিসেবে স্বৈরাচারী সরকারের সময়ে ওসমান পরিবারের একক আধিপত্য বিস্তারের সময়ে মুকুল চেয়ারম্যান হোন।

মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর প্রয়াত সাংসদ নাসিম ওসমান বন্দরের কুশিয়ারা হাজী আব্দুল মালেক উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে নাসিম ওসমান বলেন, মুকুল কোন দলের তা এত চিন্তা করার দরকার নাই। আতাউর রহমান মুকুল আমার ভাই। আমি ইন্ডিয়া / ওপার থেকে যখনই ফোন দিতাম৷ আমার ফোনের ভাষা এই মঞ্চে বসা মুকুল তা বুঝতে পারতো। আতাউর রহমান মুকুল কোন দলের রাজনীতি করে সেটা আমার দেখার বিষয় না। আশা করবো আপনারাও মুকুলকে আমার ভাই হিসাবে চিনবেন, দলের মনে করলে ভুল করবেন।

তৎসময়ে নাসিম ওসমান এমপির এমন বক্তব্যের পর আতাউর রহমান মুকুলকে অনেকটা ভিন্ন দৃষ্টিতে দেখতেন।

 

২০১৪ সালে নাসিম ওসমানের মৃত্যুতে শূণ্য আসনে সেলিম ওসমান লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করলে মুকুল প্রকাশ্যে লাঙ্গল প্রতীকের নির্বাচন করেন বলে অভিযোগ তুলেন নূর মোহাম্মদ পনেছ।

তিনি আরো বলেন, মুকুল ওসমান পরিবারের দোসর না শুধু প্রকাশ্য ছিল। জোড় করে লাঙ্গল প্রতীকের জন্য কাজ করেছে।