
আদালতের নির্দেশে নির্মাণাধীন জমিতে কাজ বন্ধ করা হয়েছে কোন ব্যক্তি স্বার্থে নয় ওসি জামাল উদ্দিন।
আলোকিত নিউজ ডেস্ক:
নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার কল্যান্দি এলাকায় আদালতে মালিকানা সংক্রান্ত মামলা বিচারাধীন থাকা সত্ত্বেও জমিতে কাজ বন্ধ রাখা এবং জোরপূর্বক মীমাংসার জন্য চাপ প্রয়োগ করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে মর্মে একটি অনলাইন পোর্টালে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে বন্দর থানার (ওসির বিরুদ্ধে।
মুলত ঘটনার পারিপার্শ্বিক বিষয়ে জানা যায়, বন্দর উপজেলার মাধবপাশা মৌজার সিএস ও এসএ ৩২১ নম্বর দাগ এবং আরএস ৪০০ নম্বর দাগে ১৫ শতাংশ জমি নিয়ে হাজী আব্দুল আউয়াল গং বনাম শফিউদ্দিন গংদের মধ্যে দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে আদালতে মালিকানা সংক্রান্ত দেওয়ানি মামলা চলমান রয়েছে।
খতিয়ান সূত্রে জানা যায়, ১৯২৫ সালে মহবুল্লাহ নোয়াব আলীর কাছে ১৫ শতাংশ জমি বিক্রি করেন। পরবর্তীতে ১৯৩২ সালে নোয়াব আলী পুনরায় মহবুল্লাহর কাছে তা বিক্রি করেন।
এর ধারাবাহিকতায় মহবুল্লাহর দুই ছেলে সানাউল্লাহ ও আব্দুল লতিফ কুসাই ১৯৪৫ সালে নোয়াব আলীর নিকট ৬ শতাংশ জমি বিক্রি করেন। এই সম্পত্তি নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে আইনি লড়াই দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে। জনি ও জালাল গং ভুমি দস্যুদের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য বিজ্ঞ আদালতে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে মামলা দায়ের করলে বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বন্দর থানার ওসিকে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার নির্দেশ প্রদান করেন।
কিন্তু ভুমি দস্যুরা আদালতের আদেশ অমান্য করে জমিতে কাজ করতে গেলে শারীরিক প্রতিবন্ধী জনি তিনি প্রাথমিক ভাবে বাঁধা দেয় কিন্তু ভুমি দস্যুরা আওয়ামী দোসর এবং স্থানীয় সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত হওয়ায় রক্তপাত এড়াতে জালাল গং আইনের আশ্রয় নেয়। বন্দর থানার ওসি তিনি বলেন জালাল গং মাননীয় পুলিশ সুপার মহোদয়কে লিখিত অবহিত করেন যার ফলে কাগজপত্র পর্যালোচনা করে আদালতের নির্দেশে কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ওসি জামাল বলেন আমরা জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই কাউকে খুশি কাউকে অখুশি করার জন্য নয়। ওসি জামাল উদ্দিন আরো বলেন আমার বিরুদ্ধে যারা অপপ্রচার চালাচ্ছে তাড়া আদালতের নির্দেশ না মেনেই অপপ্রচার চালাচ্ছে। পুলিশকে জনগণের কাজে লাগিয়ে অপরাধ প্রবণতা কমাতে হবে কারো বিরুদ্ধে আজে বাজে মন্তব্য করার আগে অবশ্যই দালিলিক প্রমাণ নিয়ে নিউজ করা উচিত।
আদালতের নিষেধাজ্ঞা জারি থাকায় প্রতিপক্ষের কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে। আদালত থেকে যদি প্রতিপক্ষ তাড়াও জালাল গং দের মতো আদালতের আদেশ নিয়ে আসতে পারে তাহলে তাদের ও পুলিশ সহযোগিতা করবে এখানে কোন ব্যক্তির আদেশ মানা হয়নি।যেহেতু বিজ্ঞ আদালত থেকে উভয় পক্ষের মধ্যে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তাই পুলিশ নিরাপত্তার স্বার্থে কাজ বন্ধ করে দিয়েছে এখানে থানা পুলিশ বা ওসির একক সিদ্ধান্ত কিছু হয়নি।
আপনার মতামত লিখুন :