ময়মনসিংহে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান: আটানী পুকুরপাড়ে পুলিশের তৎপরতা জোরদার।


staf reporter 2 প্রকাশের সময় : জুলাই ১২, ২০২৬, ৯:৩৮ অপরাহ্ন /
ময়মনসিংহে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান: আটানী পুকুরপাড়ে পুলিশের তৎপরতা জোরদার।

ময়মনসিংহে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান: আটানী পুকুরপাড়ে পুলিশের তৎপরতা জোরদার।

 

ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের আটানী পুকুরপাড় এলাকায় মাদককারবার দমন এবং সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ।

 

রবিবার পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম। অভিযানে পুলিশের একাধিক টিম অংশ নিয়ে এলাকার গুরুত্বপূর্ণ স্থান, অলিগলি ও সন্দেহভাজন এলাকায় তল্লাশি চালায়।

 

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মাদক ব্যবসা, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক কার্যকলাপ প্রতিরোধে নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবেই এ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের পরিচয় যাচাই, বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে মতবিনিময় করা হয়। পাশাপাশি এলাকাবাসীকে মাদকের বিরুদ্ধে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

 

ওসি মোহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম বলেন, “মাদক একটি সামাজিক ব্যাধি। এর বিরুদ্ধে পুলিশের অবস্থান অত্যন্ত কঠোর। মাদক ব্যবসায়ী বা অপরাধীদের কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। নগরীর প্রতিটি এলাকায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”

 

তিনি আরও বলেন, “মাদক নির্মূলে শুধু পুলিশের অভিযানই যথেষ্ট নয়। এ ক্ষেত্রে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, অভিভাবক, শিক্ষক, সমাজের সচেতন ব্যক্তি এবং সর্বস্তরের জনগণের সহযোগিতা প্রয়োজন। কোনো ব্যক্তি মাদক ব্যবসা বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে তথ্য জানলে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে অবহিত করলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

 

এদিকে পুলিশের এ বিশেষ অভিযানে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের মতে, নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকলে এলাকায় মাদক ব্যবসা, চুরি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা আরও নিশ্চিত হবে।

 

কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ জানিয়েছে, মাদক, সন্ত্রাস ও অন্যান্য অপরাধ দমনে ভবিষ্যতেও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নিয়মিত বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হবে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের এ ধরনের কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে অব্যাহত থাকবে।