
শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী রাজ্জাককে অস্ত্র সহ গ্ৰেফতারের পর থেকেই ফতুল্লা থানার উপ- পরিদর্শক এস আই নন্দনের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম অপপ্রচারে একটি গোষ্ঠী।
ফতুল্লা প্রতিনিধি:- সাম্প্রতিক সময়ে নারায়ণগঞ্জ ফতুল্লা মডেল থানায় কর্মরত উপ – পরিদর্শক এস আই নন্দনের বিরুদ্ধে একটি মাদক ব্যবসায়ী চক্র বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে জানা গেছে।শিক্ষানবিশ সাংবাদিককে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মতো অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াট ভিত্তিহীন। সাম্প্রতিক ইসদাইরে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করতে গেলে পুলিশের উপর হামলা চালায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবন কারীরা। এতে করে ৪ পুলিশ সদস্য গুরুতর আহত হন এবং আহত অবস্থায় ও অস্ত্র সহ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী রাজ্জাককে গ্ৰেফতার করে ব্যাপক প্রসংসনীয় ভূমিকা অর্জন করেন এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে। তাদের ভ্যাস্য ছিল পুলিশ জীবনের মায়া ত্যাগ করে শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীদের নির্মূল করার অভিযান পরিচালনা করতে এলে পুলিশের কাজে বাধা সৃষ্টি করে স্থানীয় কিছু তথাকথিত নামধারী সাংবাদিক যারা প্রতিমাসে ঐ মাদক ব্যবসায়ীদের নিকট থেকে মাসোহারা পেতেন বলে জানা গেছে। এস আই নন্দন সহ তার টিম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে সন্ত্রাসীদের দ্বারা আহত হয়েও মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে বিভিন্ন মহলে অসামান্য অবদানের জন্য স্থানীয় লোকজন ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তবে একটি কু চক্রি মহল পুলিশ বাহিনীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে মাদক ব্যাবসাকে আরো জমজমাট রাখার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে যাতে করে পুলিশ ভবিষ্যতে আর ঐ এলাকায় অভিযোগ পরিচালনা করতে না যায়।
(১৫ আগস্ট) দুপুর আনুমানিক ৩টার দিকে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যাওয়ার সময় ইসদাইরে পুলিশের উপর রাজ্জাক বাহিনীর হামলার ঘটনাস্থলের ভিডিও সংগ্রহের সময় সন্দেহজনকভাবে একজনকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরে পুলিশের জিজ্ঞাসা বাদে ঐ ব্যক্তি কোন হাউসে সাংবাদিকতা করেন সুনির্দিষ্ট কোনো উত্তর বা প্রমাণ পত্র দেখাতে না পারায় পরদিন ঐ ব্যাক্তিকে পুলিশের উপর হামলার ঘটনায় মামলা রুজু করে আদালতে প্রেরণ করা হল বিজ্ঞ আদালত জামিন নামঞ্জুর করে জেলখানায় প্রেরন করার নির্দেশ দেন।
অভিযোগ রয়েছে ফতুল্লা মডেল থানার এসআই নন্দনের বিরূদ্ধে বিপুল মাদকসহ ইসদাইরের মাদক সম্রাজ্ঞী আয়েশাকে আটক করার পর ৪ লক্ষ টাকায় রফাদফার মাধ্যমে সামান্য কয়েক গ্রাম মাদক দেখিয়ে জেল খানায় প্রেরনের অভিযোগ। তবে সরজমিনে তদন্তে নেমে আমাদের সংবাদদাতা তদন্ত করে মাঠ পর্যায়ে থেকে জানতে পারেন মুলত তথাকথিত ভুঁইফোড় কিছু সাংবাদিক এবং মাদক ব্যবসায়ীরা মিলে প্রসাশনের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।
তবে এই বিষয়ে এসআই নন্দনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, পুলিশের উপর হামলা ঘটনাস্থলে থাকায় সন্দেহ জনক ভাবে এক ব্যাক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে তিনি নিজেকে শিক্ষানবিশ সাংবাদিক বলে দাবি করেছেন কিন্তু পুলিশের কাছে সুনির্দিষ্ট বৈধ কোন প্রমাণপত্র দেখাতে না পারায় পুলিশ তাকে আটক করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন কোথায় স্থানীয় লোকজন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহায়তা করবেন তা না করে উল্টো পুলিশের মনোবল ভেঙে ফেলছে এক শ্রেণীর অসাধু মাদক ব্যবসায়ীরা। রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দরা মিটিং মিছিলে বলে থাকেন আমরা মাদক নির্মূলে পুলিশকে সহায়তা করবো কিন্তু বাস্তবে সব উল্টা। কিছু কিছু রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দরা প্রকাশ্যে মাদক ব্যবসায়ীদের আশ্রয় ও প্রশ্রয় দেয় আবার তাদের গ্ৰেফতার করতে গেলে পুলিশের উপর হামলা এবং অপপ্রচার চালায়। এস আই নন্দন আরো বলেন আমাদের মাননীয় পুলিশ সুপার মহোদয় এবং ফতুল্লা থানার ওসি মহোদয়ের কড়া নির্দেশনা রয়েছে স্থানীয় জনগনকে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য এবং জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য অভিযান জিরো টলারেন্সে থাকবে তাতে করে কে কি বল্ল বা কে অপপ্রচার চালালো তা আমাদের দেখার বিষয় না। আমাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার মিথ্যা বানোয়াট অভিযোগ করলে তা স্থানীয় লোকজনই প্রতিবাদ গড়ে তুলবে কারণ তাদের নিরাপত্তার স্বার্থে প্রসাশন কাজ করে যাচ্ছে আমার ব্যক্তিগত কিছুর জন্য নয়।
আপনার মতামত লিখুন :