এহসান চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ: দুদকের সরেজমিন তদন্তে মেলেনি শপিংমলের অস্তিত্ব


staf reporter 2 প্রকাশের সময় : মে ১৩, ২০২৬, ১১:২৮ পূর্বাহ্ন /
এহসান চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ: দুদকের সরেজমিন তদন্তে মেলেনি শপিংমলের অস্তিত্ব

এহসান চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ: দুদকের সরেজমিন তদন্তে মেলেনি শপিংমলের অস্তিত্বনিজস্ব প্রতিবেদক, বন্দর

​বাংলাদেশ রেলওয়ের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দুদকের তদন্তকে কেন্দ্র করে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহলের পক্ষ থেকে এহসান চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করা হয়েছে। গত সোমবার (১১ মে) দুদকের একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল সরেজমিনে তদন্তে এসে অভিযোগের সপক্ষে কোনো বাস্তব প্রমাণ পাননি।

জানা গেছে, বাংলাদেশ রেলওয়ের কর্মকর্তা রুহুল আমিনসহ (কানুনগো) বেশ কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকের প্রধান কার্যালয়ে একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগে দাবি করা হয়, উক্ত কর্মকর্তাগণ এহসান চেয়ারম্যানের জমি সংলগ্ন রেলওয়ের জায়গায় বহুতল শপিংমল ও দালানকোঠা নির্মাণ করে প্রতি মাসে কোটি কোটি টাকা অবৈধভাবে উপার্জন করছেন। এর প্রেক্ষিতে দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক সাবিকুন নাহারের নেতৃত্বে একটি বিশেষ টিম নবীগঞ্জ বাস স্ট্যান্ডসহ সংশ্লিষ্ট এলাকা পরিদর্শন করেন।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট এলাকা এবং উচ্চ আদালতে খোঁজ নিয়ে অভিযোগের সাথে বাস্তবতার কোনো মিল পাওয়া যায়নি। অনুসন্ধানে দেখা যায়,অভিযোগে বিশাল শপিংমল ও দালানকোঠার কথা উল্লেখ থাকলেও বাস্তবে সেখানে কেবল কিছু জীর্ণ টিনশেড দোকানপাটের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে।

কথিত ৮ থেকে ১০ লক্ষ টাকা ভাড়া এবং ৫ কোটি ৯৭ লক্ষ টাকা আদায়ের বিষয়ে হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়েরের যে তথ্য ছড়ানো হয়েছিল, হাইকোর্ট এবং দুদক অফিসে খোঁজ নিয়ে তার কোনো দালিলিক সত্যতা মেলেনি।

তদন্তের স্বার্থে এবং প্রকৃত সত্য যাচাইয়ের লক্ষে দুদক কর্মকর্তারা এহসান চেয়ারম্যানের একটি বক্তব্য নিতে চেয়েছেন। এ সংক্রান্ত একটি চিঠি ইতিমধ্যে এহসান চেয়ারম্যানের হাতে পৌঁছেছে। স্বচ্ছতা বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট মহলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, উৎসাহী ব্যক্তিগণ চাইলে দুদক কার্যালয় থেকে এই চিঠির অনুলিপি সংগ্রহ করতে পারেন।

এহসান চেয়ারম্যানের সমর্থক ও স্থানীয় বাসিন্দারা মনে করছেন, এটি একটি সুগভীর ষড়যন্ত্র। একটি কুচক্রী মহল রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত প্রতিহিংসা থেকে ভুল তথ্য সরবরাহ করে দুদককে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। মূলত এহসান চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত ইমেজ নষ্ট করতেই এই ধরনের আজগুবি তথ্য ছড়ানো হচ্ছে বলে তারা দাবি করেন।