শীর্ষ প্রতারক, জাল দলিল কারক, চিহ্নিত ভূমি দস্যু, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র হত্যার একাধিক মামলার আসামি


staf reporter 2 প্রকাশের সময় : জুন ১৭, ২০২৬, ৯:১০ অপরাহ্ন /
শীর্ষ প্রতারক, জাল দলিল কারক, চিহ্নিত ভূমি দস্যু, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র হত্যার একাধিক মামলার আসামি

শীর্ষ প্রতারক, জাল দলিল কারক, চিহ্নিত ভূমি দস্যু, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র হত্যার একাধিক মামলার আসামি হুমায়ূন দম্পতির বিরুদ্ধে ফের আদালতে মামলা দায়ের।

 

সংগ্ৰহীত পোস্ট :- বন্দর নবীগঞ্জের চিহ্নিত প্রতারক ও হত্যা মামলার একাধিক আসামি হুমায়ূন দম্পতির বিরুদ্ধে ফের একটি মামলা দায়ের করেছেন ভোক্তবোগী আলেয়া বেগম। তিনি তার মামলার এজাহারে উল্লেখ করেছেন ভূমি দস্যু ও প্রতারক মোর্শেদা আক্তার সু কৌশলে জাল দলিল করে প্রায় ১২ শতাংশ জমি লিখিয়ে নিয়েছে।বিজ্ঞ চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বন্দর আমলী আদালতের বিচারক ভোক্তবোগীর জবান বন্দী লিপিবদ্ধ করে পিবি আই নারায়ণগঞ্জ কে তদন্ত করে আগামী ১২/০৮/২০২৬ তারিখের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশ দিয়েছেন। হুমায়ূন দম্পতির বিরুদ্ধে এর আগেও চাঁদাবাজি, প্রতারণা,জাল দলিল, হত্যা মামলা রয়েছে।

 

ফৌজদারি অপরাধী চিহ্নিত প্রতারক ও জাল দলিল কারক হুমায়ূন দম্পতির বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্ৰহন না করায় এনসিসির প্রশাসকের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন: হত্যা মামলার আসামি ও ভূমিদস্যুর পরিবার কীভাবে এখনো বহাল তবিয়তে? কত মামলা হলে টনক নড়বে প্রসাশকের? কত টাকার বিনিময়ে এখন পর্যন্ত দাপ্তরিক কাজে নিয়োজিত রয়েছে প্রতারক মোর্শেদা,আর ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে হত্যা মামলার আসামি জাল দলিল কারক হুমায়ূন?

 

বাংলাদেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর চারপাশের অনেক কিছুই বদলে গেছে, কিন্তু নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের (এনসিসি) কদম রসুল অঞ্চলের চিত্রটা সম্পূর্ণ ভিন্ন।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে একাধিক হত্যা মামলার আসামি, চিহ্নিত ভূমিদস্যু ও জাল দলিল চক্রের মূল হোতা হুমায়ুন কবির মৃধা এবং তার স্ত্রী মোর্শেদা আক্তার এখনো রয়েছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে। আরও আশ্চর্যের বিষয় হলো, হত্যা মামলার আসামি হয়েও মোর্শেদা আক্তার কীভাবে এখনো সিটি কর্পোরেশনের সরকারি চাকরিতে বহাল তবিয়তে আছেন, তা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ তৈরি হয়েছে স্থানীয় জনগণের মধ্যে।

 

​ ক্ষমতার অপব্যবহার ও পারিবারিক সিন্ডিকেট

অনুসন্ধানে জানা যায়,

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে হুমায়ুন কবির মৃধা শুধু নিজেই অপরাধের সাম্রাজ্য গড়ে তোলেননি, বরং তার স্ত্রী ও সন্তানকে সিটি কর্পোরেশনে চুক্তিভিত্তিক চাকরির ব্যবস্থাও করে দিয়েছিলেন।

 

​🗣️ স্থানীয় সূত্র নিশ্চিত করেছে:

​📉 হুমায়ুনের ছেলে এনসিসিতে যোগ দেওয়ার পর বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির সাথে জড়িয়ে পড়ে।

 

​🚫 পরবর্তীতে তৎকালীন মেয়র ডা. সেলিনা হায়াত আইভী দুর্নীতির সুনির্দিষ্ট অভিযোগে তাকে চাকরিচ্যুত করেন।

 

​💉 তবে ছেলে চাকরি হারালেও, হুমায়ুনের স্ত্রী মোর্শেদা আক্তার নবীগঞ্জ কদম রসুল পৌরসভায় টিকাদান সুপারভাইজার (ইপিআই) হিসেবে তার স্থায়ী পদটি রহস্যজনকভাবে টিকিয়ে রাখতে সক্ষম হন।

 

​💸 টিকাদান কর্মসূচিতে দুর্নীতি ও সহকর্মীদের ওপর নির্যাতন

 

​💼 আমাদের অনুসন্ধানী টিমের হাতে আসা তথ্য ও স্থানীয়দের অভিযোগ অনুযায়ী, মোর্শেদা আক্তার কর্মক্ষেত্রে স্বামীর রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করেছিলেন। নবীগঞ্জ কদম রসুল পৌরসভার নারী ও পুরুষ সহকর্মীদের ওপর মানসিক নির্যাতন এবং অন্যায় অবিচার করার একাধিক অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

 

​দুর্নীতির পরিধি কেবল ক্ষমতার দাপটেই সীমাবদ্ধ ছিল না:

 

​💰 ভাতা আত্মসাৎ: শুক্রবার বা সরকারি ছুটির দিনে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচির জন্য সরকার থেকে মাঠকর্মীদের যে অতিরিক্ত ভাতা দেওয়া হতো, সুপারভাইজার মোর্শেদা আক্তার তার সিংহভাগই আত্মসাৎ করতেন বলে অভিযোগ উঠেছে। মাঠকর্মীদের দেওয়া হতো নামমাত্র কিছু টাকা।

 

​🏢 ফ্ল্যাট কেলেঙ্কারি ও ভুয়া হাজিরা: সরকারি নিয়ম ভেঙে, বরাদ্দ পাওয়া সিটি কর্পোরেশনের ফ্ল্যাটটি তথ্য গোপন করে অনেক আগেই বিক্রি করে দিয়েছেন মোর্শেদা। বর্তমানে তিনি সপরিবারে ঢাকায় বসবাস করেন।

 

​🚗 দূরপাল্লার অফিস: ঢাকা থেকে এসে তার নিয়মিত অফিস করার কথা থাকলেও, একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে তিনি নিয়মিত অফিস করেন না। অথচ হাজিরা খাতায় (Attendance Register) তার নিয়মিত স্বাক্ষর থাকছে, যা প্রশাসনের ভেতরের কোনো বড় যোগসাজশ ছাড়া অসম্ভব।

 

​🤬 ক্ষুব্ধ জনতা, নীরব প্রশাসন

 

​🔥 ফৌজদারি অপরাধে অভিযুক্ত এবং একাধিক হত্যা মামলার আসামির পরিবার কীভাবে এখনো সরকারি বেতন-ভাতা তুলছে এবং বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে—তা নিয়ে কদম রসুল এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে।

 

​🗣️ স্থানীয় বাসিন্দারা সরাসরি বর্তমান সিটি কর্পোরেশন প্রশাসকের ভূমিকা নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন। তাদের মতে, ছাত্র-জনতার রক্তের বিনিময়ে অর্জিত নতুন বাংলাদেশেও যদি ফ্যাসিবাদের দোসর এবং হত্যা মামলার আসামিরা প্রশাসনের প্রশ্রয়ে বহাল তবিয়তে থাকে, তবে তা আইনের শাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানোর শামিল।

 

​❓ হুমায়ুন কবির মৃধা ও মোর্শেদা আক্তারের এই সিন্ডিকেটের খুঁটির জোর কোথায়, এবং প্রশাসন কেন এখনো তাদের বিরুদ্ধে কোনো বিভাগীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে না—তা এখন সময়ের সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।

 

​#NarayanganjCityCorporation #নারায়ণগঞ্জ_সিটি_কর্পোরেশন

#কদম_রসুল_পৌরসভা