
পেশাদার ছিনতাইকারী সাজূ, ও পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী আনোয়ারের অত্যাচারে অতিষ্ঠ বন্দর বাসী। রাজনৈতিক নেতাদের নাম ভাঙিয়ে অপকর্মের অভিযোগ।
বন্দর প্রতিনিধি:- বন্দর মিরকুনডি গ্ৰামের চিহ্নিত প্রতারক ও পেশাদার ছিনতাইকারী সাজূ ওরফে রবিউল আউয়াল পিতা – রিয়াজ উদ্দিন, চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ও মামলা বাজ, ফিটিং বাজ নামে পরিচিত আনোয়ার হোসেন, পিতা – রহম আলী বেপারী, এদের অত্যাচারে মিনার বাড়ি,মিরকুন্ডি,হাজী সাহেবের মোড় এলাকার সাধারণ মানুষ সবসময় আতংকের মধ্যে থাকে। স্থানীয় লোকজনের কাছে প্রতারক সাজূ একজন ছিনতাইকারী হিসেবে পরিচিত এবং আনোয়ার মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত।
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে নামে বেনামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করে চাঁদাবাজি করেছে এই চক্রটি। গত জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতারক ও ছিনতাইকারী সাজূ ফুটবল মার্কার প্রার্থীর পক্ষে কাজ করে ব্যাপক অর্থ আত্মসাত করেছে স্থানীয় ভোটারদের। অন্যদিকে মাদক ব্যবসায়ী আনোয়ার এক সময় আবুল কাউসার আশার বিরুদ্ধে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে আবু আল ইউসুফ খান টিপুর পক্ষে গিয়ে মাদক ব্যবসা চালিয়েছে জমজমাট। পরবর্তীতে আনোয়ার পূর্ণ রায় আশার দলে ভিড়ে বিভিন্ন অসামাজিক কার্যকলাপ ও মিথ্যা মামলা বানিজ্য করে যাচ্ছে।
দুই বাটপার দুজনের পক্ষ নিয়ে কাজ করে এখন কাউন্সিলর আশা সহ বিএনপির বারোটা বাজিয়ে দিয়েছে। মাদক ব্যবসায়ী আনোয়ার পূর্বে ও কয়েকবার গ্ৰেফতার হয়ে জামিনে বেরিয়ে তার অপকর্ম সক্রিয় রাখে।আর এতে করেই ক্ষোভ সৃষ্টি হয় স্থানীয় সংসদ সদস্য এডভোকেট আবুল কালাম এমপির সচিব সাবেক কাউন্সিলর আবুল কাউসার আশার প্রতি স্থানীয় লোকজন। স্থানীয় লোকজনের ভাস্য একজন চিহ্নিত প্রতারক ও পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী কি ভাবে এমপির সচিব আশার নাম ভাঙিয়ে হরহামেসেই মাদক ব্যবসা করে যুব সমাজকে ধ্বংস করে দিচ্ছে।
এই সমস্ত টাউড বাটপার স্বার্থের জন্য একবার ফুটবল আরেক বার ধানের শীষ,এই হলো তাদের নিতী। তবে এই সমস্ত গুপ্তচর,টাউড বাটপারদের বিরুদ্ধে যদি এখনি ব্যবস্থা নেওয়া না হয় তাহলে এমপি পরিবারের সু নাম নষ্ট করতে বেশি দিন লাগবে না। নিজেদের অপকর্ম ঢাকতে গিয়ে জনতার হাতে গণধোলাই খেয়েছে পেশাদার ছিনতাইকারী সাজূ, অথচ মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবু আল ইউসুফ খান টিপুকে দিয়ে সুপারিশ করে বন্দর থানায় হত্যা চেষ্টা মামলা দায়ের করিয়েছে নিরিহ কিছু সাধারণ মানুষের বিরুদ্ধে যারা ঐ ঘটনার সম্পর্কে কিছুই জানে না।
মামলা দায়ের পর থেকে চার্জসিট থেকে নাম প্রত্যাহার করার জন্য একেক জনের কাছ থেকে দুই লাখ টাকা করে চাঁদা দাবি করে এই প্রতারক চক্রের সদস্য। তবে বিষয়টি নিয়ে খুবই উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সাধারণ মানুষ। একজন পেশাদার ছিনতাইকারী ও মাদক ব্যবসায়ীর খুঁটির জোর কি তাহলে আবুল কাউসার আশা? এই দুই প্রতারকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ডাকাতি, ছিনতাই, প্রতারণার অভিযোগে মামলা রয়েছে।বন্দর, নবীগঞ্জ সহ বিভিন্ন যায়গায় আশার রয়েছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা,ক্লিন ইমেজের নেতা হিসেবে পরিচিত। কিন্তু সেই ক্লিন ইমেজ নষ্ট করে দিতে গুপ্তচর হিসেবে কাজ করছে এই পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী আনোয়ার ও পেশাদার ছিনতাইকারী সাজূ ওরফে রবিউল আউয়াল। এবিষয়ে আরো বিস্তারিত জানতে চোখ রাখুন দৈনিক পত্রিকায়।
আপনার মতামত লিখুন :