হুমকি-ধমকির পর নির্বাচন বানচালের পায়তারা:


staf reporter 2 প্রকাশের সময় : জুন ১৩, ২০২৬, ১২:০৪ পূর্বাহ্ন /
হুমকি-ধমকির পর নির্বাচন বানচালের পায়তারা:

আমলাপাড়া আদর্শ শিশু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৪০ বছরের একনায়কতন্ত্রের অবসান চান অভিভাবকরানারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি:নারায়ণগঞ্জের ৩৯নং আমলাপাড়া আদর্শ শিশু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি (SMC) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ধমকি, হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের পর এবার নির্বাচন বানচালের গভীর ষড়যন্ত্রের অভিযোগ উঠেছে। নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরুর পর থেকেই একটি প্রভাবশালী মহল নানাভাবে বাধা সৃষ্টির চেষ্টা করে আসছে। অপরদিকে, সাধারণ অভিভাবকরা বিদ্যালয়ের দীর্ঘ ৪০ বছরের ‘একনায়কতন্ত্র’ এবং ব্যক্তিতান্ত্রিক শাসনের অবসান ঘটিয়ে বড় ধরনের পরিবর্তনের দাবিতে ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন।ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরুর পর থেকেই প্রার্থী মো: শফিউদ্দিন এবং ফাহমিদা আক্তারকে মনোনয়নপত্র ক্রয় ও জমা না দেওয়ার জন্য বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করা হয়। তবে সব বাধা ও হুমকি উপেক্ষা করে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হলে, যাচাই-বাছাই শেষে নির্বাচন কমিশন শফিউদ্দিন ও ফাহমিদা আক্তারের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন।মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণার পর থেকেই নির্বাচন বানচাল করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে অপর পক্ষটি। তাদের দাবি, একই পরিবার থেকে দুজন প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না।তবে এই দাবির তীব্র বিরোধিতা করে আইনি ব্যাখ্যা ও সরকারি নিয়মের কথা উল্লেখ করেছেন সাধারণ অভিভাবক ও প্রার্থীরা। প্রচলিত সরকারি বিধিমালা ও আইনের প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা জানিয়ে তারা জানান, একই পরিবারের একাধিক সদস্যের প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে সরকারি নিয়মে কোনো আইনি বাধা বা নিষেধাজ্ঞা নেই। অভিভাবকরা বলেন, “আইন অনুযায়ী একই পরিবারের দুজন কেন, যোগ্য হলে ১০ জনও নির্বাচন করতে পারেন। ভোটাররা যাকে খুশি তাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবেন। কোনো একক পরিবারের অজুহাত তুলে নির্বাচন বানচালের সুযোগ নেই।”সম্মানিত শিক্ষককে চাকরিচ্যুতির হুমকি:অভিভাবকরা অভিযোগ করেন, নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে এবং প্রার্থীদের ওপর মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টি করতে এই প্রভাবশালী চক্রটি বিদ্যালয়ের সম্মানিত শিক্ষক তানজিম স্যারের চাকরি কেড়ে নেওয়ার সরাসরি হুমকি দিয়েছে। একজন শিক্ষকের ওপর এমন নজিরবিহীন ও অন্যায় হুমকির ঘটনায় সাধারণ অভিভাবক ও স্থানীয় মহলে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়েছে।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সাধারণ অভিভাবক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বিগত দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে এই বিদ্যালয়ে একটি একনায়কতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখা হয়েছে। তারা এই ব্যক্তিতান্ত্রিক বন্দিদশা থেকে বিদ্যালয়ের মুক্তি চান। অভিভাবকরা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, কোনো শিক্ষককে অন্যায়ভাবে হেনস্তা করা বা নির্বাচন বানচালের কোনো অপচেষ্টা সাধারণ অভিভাবকরা মেনে নেবেন না। তারা অবিলম্বে একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে পরিবর্তনের পক্ষে রায় দিতে চান।

স্কুলের দুর্নীতির আরো তথ্য জানতে চোখ রাখুন